মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

এক নজরে

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, যশোর সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়াধীন সমাজসেবা অধিদফতরের আওতাভূক্ত জেলা পর্যায়ের একটি ইউনিট। উপপরিচালক এ কার্যালয়ের প্রধান কর্মকর্তা।  অত্র কার্যালয়সহ মোট ১৬ (ষোল) টি কার্যালয় উপপরিচালক কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত।

জেলাধীন কার্যালয়/ প্রতিষ্ঠানসমূহঃ

ক্রম

কার্যালয়/ প্রতিষ্ঠান

সংখ্যা

 জেলা সমাজসেবা কার্যালয়

০১

 শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (বালক), পুলেরহাট, যশোর

০১

 সরকারি শিশু পরিবার, (বালিকা), নাজির শংকরপুর, যশোর

০১

 সরকারি শিশু পরিবার, (বালক), ঝিকরগাছা, যশোর

০১

 সমন্বিত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষা কার্যক্রম, যশোর

০১

 প্রবেশন কার্যালয়, যশোর

০১

 হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যালয়,  ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, যশোর

০১

 শহর সমাজসেবা কার্যালয়, যশোর

০১

 উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়

 (অভয়নগর, কেশবপুর, চৌগাছা, ঝিকরগাছা, মনিরামপুর, বাঘারপাড়া, শার্শা, যশোর সদর)

০৮

 

সমাজসেবা অধিদফতর সরকারের অন্যান্য জাতিগঠনমূলক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়াধীন সমাজসেবা অধিদফতর দেশের দুস্থ, অবহেলিত, পশ্চাৎপদ, দরিদ্র, এতিম, অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী এবং সমাজের অনগ্রসর মানুষের কল্যাণ ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে ব্যাপক ও বহুমুখী কর্মসূচি নিয়ে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সুদৃঢ়করণের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে ১৫(ঘ) অনুচেছদের আলোকে দেশের বিভিন্ন অনগ্রসর শ্রেণির জন্য সাংবিধানিক অঙ্গীকার পূরণের লক্ষ্যে বয়স্কভাতা, বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা দুস্থ মহিলা ভাতা, অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি, মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ঝুঁকি মোকাবেলা কর্মসূচি ইত্যাদি প্রবর্তনের ক্ষেত্রে এ অধিদফতরের ভূমিকা দেশে বিদেশে ব্যাপকভাবে সমাদৃত।

 

 ১৯৪৭ সালে Urban Community Development Board, Dhaka-এর আওতায় ১৯৫৫ সালে শহর সমাজসেবা কার্যালয় এবং সমাজকল্যাণ পরিষদের আওতায় হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়। ১৯৪৩ সালের বঙ্গীয় ভবঘুরে আইন, ১৯৪৪ সালের এতিম ও বিধবা সদন আইনের আওতায় পরিচালিত ভবঘুরে কেন্দ্র (সরকারি আশ্রয় কেন্দ্র), রাষ্ট্রীয় এতিমখানা (সরকারি শিশু পরিবার) পরিচালনার দায়িত্ব ১৯৬১ সালে গ্রহণ করে সৃষ্টি হয় সমাজকল্যাণ পরিদফতর। পরবর্তীতে সমাজসেবা কার্যক্রমের ব্যাপক সম্প্রসারণ ও বিস্তৃতির কারণে ১৯৭৮ সালে সরকারের একটি স্থায়ী  জাতিগঠণমূলক বিভাগ হিসেবে উন্নীত হয়ে ১৯৮৪ সালে সমাজসেবা অধিদফতর হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

 

সমাজ দর্শন এবং উন্নয়ন কৌশলের পরিপ্রেক্ষিতে এ বিশাল কর্মযজ্ঞে নিয়োজিত সমাজকর্মীদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ১৯৯৯ সালে সমাজসেবা ভবন উদ্বোধনলগ্নে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২ জানুয়ারিকে ‘জাতীয় সমাজসেবা দিবস’ ঘোষণা করেন। ৪ জুন ২০১২ তারিখের মন্ত্রিসভা বৈঠকে জানুয়ারি মাসের ২ তারিখকে ‘জাতীয় সমাজসেবা দিবস’ ঘোষণাপূর্বক দিবসটিকে ‘খ’ ক্যাটাগরি হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়। এ দিবসটি উদযাপনের মাধ্যমে সমাজসেবার  কর্মসূচিতে এসেছে নতুন গতি ও প্রাণের সঞ্চার এবং সমাজকর্মীগণ হয়েছে উজ্জীবিত। 

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter